× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম

ফুলের রাজ্যে উৎসব শঙ্কায়, চাষিরা আশাবাদী

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম

গদখালী ফুলের রাজ্য। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

গদখালী ফুলের রাজ্য। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ফুলের রাজ্য যশোরের গদখালির মাঠগুলোতে শোভা পাচ্ছে গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা, গোলাপ, জারবেরা, গ্লাডিওলাসসহ নানা ধরনের ফুল। এসব ফুল বাজারজাতও করা হচ্ছে। তবে জাতীয় নির্বাচন, পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ফলে ফুল বেচাকেনার শঙ্কায় রয়েছেন চাষিরা। তারা জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সহিংসতামুক্ত হলে বাজার ভালো থাকবে, অন্যথায় লোকসান হতে পারে।

পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও বিজয় দিবসে ফুলের চাহিদা বেশি থাকে। মৌসুমের বাজার ধরার আশায় দিনরাত পরিশ্রম করছেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালীর ফুলচাষিরা। তবে উৎসবের মৌসুম এলেও কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পাওয়া যাবে কি না—এই দুশ্চিন্তা কাটছে না চাষি ও ব্যবসায়ীদের। নির্বাচনি পরিবেশ শান্তিপূর্ণ না হলে ফুলের বাজার বড় ধরনের ধসের মুখে পড়তে পারে।

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে গদখালি বাজারে প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে বসে ফুলের মোকাম। চাষিরা তাদের খেতে উৎপাদিত ফুল নিয়ে হাজির হন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খুচরা ও পাইকার ব্যবসায়ীরা এখানে এসে দরকষাকষির মাধ্যমে ফুল কিনে নিয়ে যান। শীতের মৌসুমে ফুলের বাজার জমজমাট থাকে। গদখালিতে বছরে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার ফুল হাতবদল হয়।

বাজারে এই সময় গোলাপ প্রতি পিস ৫–৭ টাকা, রজনীগন্ধা ৮–১৫ টাকা, জারবেরা ৮–১০ টাকা, গাঁদা প্রতি হাজার ১০০ টাকা, গ্লাডিওলাস ৬–৮ টাকা এবং চন্দ্রমল্লিকা ২–৩ টাকা বিক্রি হচ্ছে। চাষিরা জানান, গোলাপ ও রজনীগন্ধা ছাড়া সব ফুলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আগামী সপ্তাহ থেকে এই দুটি ফুলের দামও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

গদখালী ফুলচাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমের শুরু থেকে বাজার ভালোই যাচ্ছে। আবহাওয়াও অনুকূলে এবং মাঠে প্রচুর ফুল রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগে পবিত্র মাহে রমজান শুরু হওয়ায় অনেক অনুষ্ঠান সীমিত আকারে হবে, ফলে ফুলের চাহিদা কমতে পারে। এ ছাড়া নির্বাচনের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের উপপরিচালক মোশারফ হোসেন জানান, যশোর অঞ্চলে প্রায় ৭ হাজার চাষি ৬৪১ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ করেন। এখানে ১৩ ধরনের ফুলের বাণিজ্যিক চাষ হয়, যা দেশের মোট ফুলের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ পূরণ করে। চাষিরা আগামী নির্বাচন ও অন্যান্য দিবসের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন এবং আশা করছেন পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে রেকর্ড পরিমাণ ফুল বিক্রি সম্ভব হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!