ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা, ৬ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১২ পরীক্ষার্থীকে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্র সচিব, সহকারী প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন এবং হল সুপার, সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেনসহ ৬ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন। এর আগে শনিবার এক চিঠির মাধ্যমে তিনি এ নির্দেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া অন্যান্য শিক্ষকরা হলেন—পরীক্ষা কমিটির সদস্য, ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বি.কে.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরশাদ আলী; এন.ইউ.আর.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার; হরিদ্রাপেতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মহিদুল ইসলাম এবং শার্শার বামুনিয়া সোনাতনকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম।

যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলমান ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে (কেন্দ্র কোড-৫৩১) গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষায় ১২ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীকে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এহেন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায় কেন্দ্র সচিব, পরীক্ষা কমিটি এবং কক্ষ পর্যবেক্ষকদের কেউই এড়াতে পারেন না।

তাই এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এর সব কার্যক্রম থেকে কেন্দ্র সচিব, পরীক্ষা কমিটি ও কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে উল্লেখিত ৬ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষা পরিচালনার জন্য সহকারী প্রধান শিক্ষক বা জ্যেষ্ঠ কোনো শিক্ষক/কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, যারা পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, কোন পরীক্ষার্থী কোন সিলেবাসে পরীক্ষা দেবে। তারপরও দায়িত্বে থেকে অনিয়ম করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।