× UCB Sticker Card
বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম

সিলগালার পরও চলছে পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টার

বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

যশোরে সিলগালা করার পরও অবৈধভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই রোগী দেখা, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে দালালচক্রের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের রোগীদের প্রলুব্ধ করে প্রতিষ্ঠানটিতে এনে টেস্ট বাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে।

জানা গেছে, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে (ঘোপ নওয়াপাড়া রোড) অবস্থিত পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি ২০১৮ সালে (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-৭৬০৪৮) লাইসেন্স লাভ করে। তবে ২০১৯ সালের ৩০ জুন লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও এরপর আর তা নবায়ন করা হয়নি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন শহরতলীর ঝুমঝুমপুর এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে আবুল কাশেম।

গত ১৪ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে গিয়ে নানা অনিয়মের প্রমাণ পান। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুঞ্জন বিশ্বাসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে।

অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুঞ্জন বিশ্বাস জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ডিগ্রিধারী নার্স কিংবা প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি ছিল না। লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি হাসপাতালের রোগীদের টার্গেট করে প্রতারণামূলকভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, সিলগালার মাত্র এক সপ্তাহ পরই পুনরায় প্রতিষ্ঠানটি খুলে কার্যক্রম শুরু করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দালালদের মাধ্যমে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আসা রোগীদের সেখানে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, টেস্ট বাণিজ্যই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির প্যাথলজি রিপোর্টের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিজস্ব প্যাথলজিস্ট বা চিকিৎসক না থাকায় পূর্বপ্রস্তুত কম্পিউটার ফরম্যাট ব্যবহার করে ইচ্ছেমতো রিপোর্ট তৈরি করে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক আবুল কাশেম বলেন, লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে। অনিয়ম ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বলেন, পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্সের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছিল। তাদের কার্যক্রম পরিচালনার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনুমতি ছাড়া কার্যক্রম চালানো হলে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২২ সালের ৯ জুন যশোর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমান নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে আটক করেন। পরে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

Link copied!