দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ডুবে যাওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় শৈলকুপা উপজেলার একটি পরিবারের মা ও মেয়ে নিখোঁজ রয়েছেন; তবে বাবা ও ছেলে প্রাণে বেঁচে গেছেন।
নিখোঁজরা হলেন, উপজেলার কাঁচেরকোল ইউনিয়নের খন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা নুরুজ্জামানের স্ত্রী ও তার কন্যা।
জানা গেছে, তারা কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাসে করে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় কর্মস্থলে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুরুজ্জামান স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে বাসে যাত্রা করছিলেন। তবে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছানোর আগেই তিনি ছেলে সন্তানকে নিয়ে কোনো কারণে বাস থেকে নেমে যান। পরে বাসটি ফেরিঘাট এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়। এতে তার স্ত্রী ও মেয়ে নিখোঁজ হন।
ঘটনার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ মা-মেয়ের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, ঈদের আনন্দ শেষে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা দ্রুত নিখোঁজদের উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জোরালো পদক্ষেপ কামনা করেছেন।


