× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:২৫ এএম

১৪ ডিসেম্বর জয়পুরহাট মুক্ত দিবস

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:২৫ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আজ জয়পুরহাটে পালিত হচ্ছে হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদারদের উৎখাত করে শত শত মুক্তিযোদ্ধা জয়পুরহাটে প্রবেশ করেছিলেন।

১৪ ডিসেম্বরের ভোরে শীতের কুয়াশা ছিন্নভিন্ন করে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে আনন্দ উল্লাসের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকার-আলবদর বাহিনী জীবন বাঁচাতে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট ও বগুড়ায় পালিয়ে যায়।

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আসাদুজ্জামান বাঘা বাবলু জয়পুরহাটের ডাক বাংলোতে স্বাধীনতার বিজয় কেতন সম্বলিত সোনালী বাংলাদেশের মানচিত্র চিহ্নিত পতাকা উত্তোলন করেন।

আজকের দিনে জয়পুরহাটবাসী স্মরণ করেন ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী এবং দেশীয় দোসরদের সঙ্গে মিলিত হয়ে কড়ই-কাদিপুর ও পাগলা দেওয়ানে চালানো নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।

শত শত নিরীহ মানুষকে হত্যা করে মাটিতে চাপা দেওয়া হয়েছিল। স্বাধীনতার ৪০ বছর পার হলেও সেসব হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনো হয়নি।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার চকবরকত ইউনিয়নের পাগলা দেওয়ান হলো উত্তর বঙ্গের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি। এখানে ৯ মাস ধরে হানাদার বাহিনী দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মুক্তিকামী মানুষকে ধরে এনে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে বেঁচে খুঁচিয়ে জবাই ও গুলি করে হত্যা করে। শহীদদের স্মরণে সরকারিভাবে একটি স্মৃতি বিজয় স্তম্ভ নির্মিত হয়েছে।

আজও এখানে পাক হানাদার বাহিনীর একটি পরিত্যক্ত বাংকার বিদ্যমান, যা দেখার জন্য শত শত মানুষ ভিড় করেন। এটি সময়ের সাক্ষী হিসেবে বর্তমানেও রয়ে গেছে।

আরেকটি বধ্যভূমি সদর উপজেলার কড়ই-কাদিপুর গ্রামে, যেখানে সরকারিভাবে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। সেখানে প্রায় ৩৭১ জন মৃৎশিল্পীকে (কুমার)সহ নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যা করা হয়েছিল।

দীর্ঘ ৪০ বছর পরও জয়পুরহাটে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা তৈরি না হওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!