× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০১:২৩ পিএম

শেষ হলো একটি পরিবারের গল্প, খোঁড়া হলো ৪ কবর

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০১:২৩ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঈদের আনন্দ শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথেই শেষ হলো এক পরিবারের জীবনের গল্প। কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষক মুফতি আব্দুল মমিন তার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাদ জুমা লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামের বশাহাজী পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে শ্বশুরবাড়ির কবরস্থানে পাশাপাশি চারটি কবরে তাদের দাফন করা হবে।

ইতোমধ্যে কবর খোঁড়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কবরস্থানের পাশে মরদেহবাহী গাড়িগুলো ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে হৃদয়বিদারক দৃশ্য। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের মুফতি আব্দুল মমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭), মেয়ে লাবিবা (১৮) এবং প্রাইভেটকারচালক জামাল হোসেন (৫২)।

গুরুতর আহত হয়েছেন মমিনের আরেক ছেলে আবরার (১২)। তিনি কুমিল্লার ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহত মমিনের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া গ্রামে হলেও তার দাফন হচ্ছে শ্বশুরবাড়িতে। মুফতি আব্দুল মমিন তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরে জামিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।

ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। গ্রামে এসে জেলা শহর মাইজদীতে শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ওঠেন। এ সময় তিনি মাঝে মধ্যে নিজ গ্রামের বাড়িতেও যেতেন। সেখানে তার নিজস্ব কোনো ঘর না থাকায় ছোট ভাইয়ের ঘরেই অবস্থান করতেন।

ঈদের ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন তিনি। পথে স্টার লাইন পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাস প্রাইভেটকারটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর একই পরিবারের চার সদস্য প্রাণ হারান।

চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে মমিন ছিলেন তৃতীয়। তিনি সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলী মাস্টারের বাড়ির মৃত ইউনুস মুন্সীর ছেলে।

সেনবাগ থানার ওসি মো. আবুল বাশার জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করেছে। একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে দুই জেলায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!