বর্ষা মৌসুমে নাটোরের লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতা যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষে হাঁটুপানি জমে গিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ছে। এতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালপুর সদর বাজারের পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত ড্রেনগুলো অপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছে। ফলে ড্রেনের পানি বিদ্যালয়-সংলগ্ন পুকুরে এসে জমা হচ্ছে এবং সেখান থেকেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিত্য ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহি বলেন, শ্রেণিকক্ষ বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় আমাদের স্কুল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এতে আমাদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে এবং নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
লালপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “প্রতিবার বর্ষা মৌসুমে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পেতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাজা শামীম ইলিয়াস হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যালয়ে সাময়িক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রেণিকক্ষের পানি নিষ্কাশনের পর পুনরায় পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

