× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০৭:১১ পিএম

বিএনপির ‘শান্তি সভায়’ বিরোধপূর্ণ জমির ধান কাটায় নিষেধাজ্ঞা

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০৭:১১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে বিরোধপূর্ণ ১১ বিঘা জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কায় স্থানীয় বিএনপি একটি শান্তি সভার আয়োজন করেছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওই জমির ধান কোনো পক্ষই কাটতে পারবে না।

রোববার (১০ মে) শান্তি সভার সিদ্ধান্তসংবলিত নোটিশের অনুলিপি আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি, গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং আক্কেলপুর প্রেসক্লাবে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শনিবার দুপুরে গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই শান্তি সভার আয়োজন করে গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপি। তবে বিবাদমান দুই পক্ষের এক পক্ষের কেউই সভায় উপস্থিত ছিলেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা জান্নাত বলেন, ‘আমাকে আজ শান্তি সভার নোটিশের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।’ তবে এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের দুলালী ভ্যানলা গ্রামের কয়েকজন কৃষকের ১১ বিঘা জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে ইমেল হোসেন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। একপর্যায়ে হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। হামলার মামলার আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিরোধ মেটাতে ইউনিয়ন পরিষদ একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে জমির ধান পেকে যাওয়ায় ধান কাটা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই পক্ষের মধ্যে যেকোনো সময় সংঘর্ষ ও রক্তপাতের আশঙ্কা দেখা দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শান্তি সভার আয়োজন করা হয়।

শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তবে আগের মতো এবারও ইমেল হোসেনের পক্ষের কেউ সভায় উপস্থিত হননি।

গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছাইদুল ইসলাম বলেন, ‘জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। রক্তপাত এড়াতে আমরা স্থানীয়ভাবে শান্তি সভার আয়োজন করেছি। শান্তিপূর্ণ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কেউ যাতে ধান না কাটে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে কোনো সহিংস ঘটনা ঘটুক, তা আমরা চাই না। এ কারণে শান্তি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। আমরা দুই পক্ষকে নোটিশ দিয়ে সভায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, আব্দুল কুদ্দুসের পক্ষ জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সভায় উপস্থিত হয়েছিল। তবে ইমেল হোসেনের পক্ষ উপস্থিত ছিল না। এ কারণে পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জমির ধান কোনো পক্ষই কাটতে পারবে না। এ সিদ্ধান্ত উভয় পক্ষকে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অবহিত করা হয়েছে।’

Link copied!