বগুড়ার শেরপুরে পৌর শহরের পৈতৃক সম্পত্তির অনলাইন খাজনার নামে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ পৌর ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শেরপুর পৌর শহরের সান্যালপাড়া এলাকার সুকুমার অধিকারীর ছেলে সৌরভ অধিকারী শুভ তার পৈতৃক বাড়ির জে এল নং-১০৯, খতিয়ান নং-১০৮১, দাগ নং-৮৩৮, শ্রেণি—বাড়ি, পরিমাণ ২.৩৩ শতাংশ, হোল্ডিং নং-৪৮০২-এর অনলাইন খাজনা দিতে সংশ্লিষ্ট পৌর ভূমি অফিসে যান।
এ সময় ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তার কাছে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে তিনি কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। এরপর ওই কর্মকর্তা ২৭৮ টাকার অনলাইন খাজনার একটি রশিদ তার হাতে তুলে দেন। পরে রশিদের বাইরে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, অফিসিয়াল বিভিন্ন খরচ বাবদ এ টাকা নেওয়া হয়েছে।
সৌরভ অধিকারী শুভ জানান, ওই ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে নির্ধারিত খাজনার অতিরিক্ত অর্থ কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছেন। এ ধরনের দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আবেদন মারফত অবহিত করেছি।
অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, ‘মানুষ এখন অনলাইনে খাজনার আবেদন করে। আমি শুধু অনুমোদন দিয়ে থাকি। সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।’
এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু জানান, অভিযোগ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-20260511184447.webp)
সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন