মুসলিমদের দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই ঈদকে সামনে রেখে এরই মধ্যে মানুষের কেনাকাটার ধুম পড়েছে। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, সুরমা, আতর, টুপি, তসবি আর জায়নামাজের দোকানগুলোতেও ভিড় ততই বাড়ছে। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য টুপি-আতর এবং বয়স্কদের জন্য সুরমা ও জায়নামাজ কিনছেন ক্রেতারা।
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের নামাজে আতর ও সুরমার ব্যবহার একদিকে যেমন সুন্নত আদায় হয়, তেমনি সুগন্ধির কারণে মনে আসে প্রফুল্ল ভাব। তাই বিশেষ এই কেনাকাটা চলে ঈদের দিন নামাজের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত।
রোববার (১৫ মার্চ) সরেজমিনে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ছোট-বড় মার্কেট ও ফুটপাত ঘুরে দেখা যায়, টুপি-আতরের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। দোকানগুলোতে সারি সারি সাজানো বিভিন্ন নকশার টুপি থেকে পছন্দমতো টুপি নিচ্ছেন তারা। আবার পকেটে রাখার জন্য জালি টুপিও কিনছেন কেউ কেউ। ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে হরেক রকম টুপি।
ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার শেখ সাইফুল আজম শাহীন নামের এক ক্রেতা বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এই ঈদে নতুন পাঞ্জাবির পাশাপাশি নতুন টুপি ও শরীরে সুগন্ধি আতর বাড়তি সৌন্দর্য যোগ করে। তাই নিজের ও পরিবারের জন্য পাঞ্জাবি-পায়জামা কেনা শেষে এখন আতর ও টুপি কিনলাম। বিদেশি টুপির দাম একটু বেশি হলেও বৈচিত্র্যময় হওয়ায় পাঞ্জাবির সঙ্গে ভালো মানায়।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার টুপি ও আতর বিক্রেতারা রুপালী বাংলাদেশকে জানান, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা দুই ঈদেই টুপি, আতর ও জায়নামাজের চাহিদা থাকে অনেক বেশি। সে অনুযায়ী ফুটপাতের দোকানগুলোতে এবার ১৫ রোজার পর থেকেই পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। দেশীয় টুপি ছাড়াও পাকিস্তানি, ভারতীয়, চীনা ও মিশরী টুপি রয়েছে চাহিদার শীর্ষে। কম দামে বৈচিত্র্যময় নকশার কারণে এগুলোর চাহিদা সব সময়ই বেশি থাকে। এখন পর্যন্ত যা বিক্রি হচ্ছে, তাতে সন্তুষ্ট বলেও জানান ব্যবসায়ীরা।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন