ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

তীব্র শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়, তাপমাত্রা নামল ৮ ডিগ্রিতে

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৭:২১ এএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

তীব্র শীত ও কনকনে হিমশীতল বাতাসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়। হিমালয়ের খুব কাছাকাছি অবস্থানের কারণে উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১২ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছিল।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) হঠাৎ করে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৮ ডিগ্রির ঘরে। এতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১০০ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার।

এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় পুরো অঞ্চল কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় আবৃত হয়ে পড়েছে। শীতার্ত মানুষ তীব্র কষ্টে দিন পার করছেন। কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। দিনমজুর, চা-শ্রমিক ও পাথর শ্রমিকরা তীব্র শীতের কারণে কাজ করতে পারছেন না।

ফলে তাদের আয় কমে গেছে। এসব কারণে জেলার শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষের রাত কাটছে অসহনীয় দুর্ভোগে। শীতের একেকটি রাত যেন তাদের কাছে দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক এই বৈরিতা থেকে বাঁচতে সমাজের বিত্তবানদের সহায়তার আবেদন জানিয়েছে অসহায় মানুষ।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হিমেল বাতাস ও কনকনে শীতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১০০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার।