× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০২:১৯ পিএম

রেশমের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট সরকার : প্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০২:১৯ পিএম

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রাজশাহীর সিল্ক বাংলাদেশের সম্পদ ও আমাদের ঐতিহ্য। এটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ জরুরি। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বর্তমান সরকার সর্বাত্মক গুরুত্ব প্রদান করছেন। এই শিল্পকে ঘুড়ে দাঁড়াতে সব রকম সহযোগিতা প্রদান করা হবে। 

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রেশম শিল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির অংশ হিসেবে তিনি এ পরিদর্শন করেন।

রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও এই বোর্ডের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এ শিল্পকে আধুনিকীকরণ এবং গবেষণার মাধ্যমে আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ টন রেশমের চাহিদা রয়েছে। তবে এর ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা পিছিয়ে পড়ার কারণে এ নির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পলু চাষ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মান বাড়াতে গবেষণার ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

রেশম শিল্পের সঙ্গে জড়িত ঐতিহ্যবাহী কারিগর বা বোসনিদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন। বয়সের কারণে তাদের সংখ্যা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। বোসনিদের পরবর্তী সময়ে প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করা না গেলে এই শিল্পের ঐতিহ্য চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেন তিনি।

বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা, সিল্কের প্রসার বাড়ানো এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, চীন ও জাপানের মতো বড় বাজারে দেশীয় সিল্ক পণ্যের সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা), জেলা প্রশাসক রাজশাহী কাজী শহিদুল ইসলাম এবং রেশম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!