× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম

ভুয়া সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে রাবিপ্রবি শিক্ষককে অপসারণ

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া সনদসহ তথ্য গোপন করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল সিকদারকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাবিপ্রবি দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির শুরুর সময়ে নিয়োগ পাওয়া জুয়েল সিকদারের বিরুদ্ধে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের প্রধান ও রেজিস্টারের স্বাক্ষর জাল করা, ভুয়া লেটারপ্যাড ব্যবহার, তথ্য গোপন এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে রাবিপ্রবি প্রশাসন তিনটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে কমিটিগুলোর উপস্থাপিত প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।

এরপর ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের নবম সভায় উপস্থিত সর্বসম্মতিক্রমে তাকে (জুয়েল সিকদার) দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী একই তারিখ থেকে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করে তার পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে পাওয়া সব বেতন ও আর্থিক সুবিধা দ্রুত ফেরত দিতে তাকে নির্দেশ দিয়েছে রাবিপ্রবি প্রশাসন। নির্দেশনা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর তাকে প্রক্টর পদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

রাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান বলেন, ‘সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল সিকদারের বিরুদ্ধে ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ, জাল স্বাক্ষর ও তথ্য গোপনের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এতে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়। তদন্ত শেষে কমিটিগুলোর প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে রিজেন্ট বোর্ডের নবম সভায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।’

অভিযুক্ত জুয়েল সিকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এটা আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমার কাছে সব সনদ আসল, যেগুলোর মূল কপি আমার কাছে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে আমি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। মূল বিষয় হলো, আমি পরিস্থিতির শিকার। তবে সময়মতো আমি আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরব। আমি এখনো চিঠি পাইনি।’

Link copied!