× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ বন্ধ, বিপাকে জেলেরা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

নদীর পাড়ে সাজানো রয়েছে জেলেদের নৌকা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নদীর পাড়ে সাজানো রয়েছে জেলেদের নৌকা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিএ দুই মাস সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার হাজারো জেলে চরম হতাশায় পড়েছেন।

এদিকে বিকল্প কোনো কর্মসংস্থান বা পর্যাপ্ত সহায়তা না থাকায় জেলেদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কাঁকড়া আহরণই যাদের প্রধান জীবিকার উৎস, তাদের আয় হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে পড়েছেন বিপাকে।

স্থানীয় জেলে আনিছুর রহমান বলেন, বছরের এ দুই মাস কাঁকড়া প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বন বিভাগ প্রতিবছরই আহরণ বন্ধ রাখে। তবে বিকল্প কোনো কর্মসংস্থান বা পর্যাপ্ত সহায়তা না থাকায় জেলেদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক জেলে ধারদেনা ও মহাজন থেকে সুদে টাকা নিয়ে কোনোভাবে দিন পার করছেন।

একাধিক জেলে জানান, সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেই আমাদের সংসার চলে। দুই মাস বন্ধ থাকলে আয় একেবারেই থাকে না। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও আমাদের কষ্টের কথা কেউ দেখে না।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে বন বিভাগের টহল জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা জিয়উর রহমান জানিয়েছেন কাঁকড়ার প্রজনন রক্ষা ও সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে কোনোভাবেই এ সময়ে জেলেদের কাঁকড়া আহরণে বনে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। নৌ ও স্থল টহলের মাধ্যমে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে।

বন বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এতে অনেক জেলে ভয়ে সুন্দরবনে প্রবেশের চেষ্টা পর্যন্ত করছেন না।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মনে করছে, সুন্দরবনের পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জরুরি হলেও জেলেদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা বা সরকারি সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন। তা না হলে উপকূলীয় দরিদ্র জেলেদের মানবিক সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!