× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

শাহজাদপুরে বেড়েছে সূর্যমুখীর বাণিজ্যিক চাষ

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পরীক্ষামূলক চাষে সাফল্যের পর এবার বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকদের আগ্রহ ও কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে এই তেলবীজ ফসলের আবাদ হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলার জালালপুর, গালা ও রূপবাটি ইউনিয়নের বিন্যাদাইর, আন্ধারমানিক ও বড় ধুনাইলসহ বিভিন্ন গ্রামে গত কয়েক মৌসুম ধরে সীমিত আকারে সূর্যমুখীর পরীক্ষামূলক চাষ করা হয়।

ফলন ও বাজারমূল্য সন্তোষজনক হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আস্থা তৈরি হতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় এবার অনেক কৃষক ধান ও অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন।

সূর্যমুখী চাষি কৃষক রুবেল হোসেন জানান, শখের বসেই সূর্যমুখীর চাষ করেছেন। তবে বিনামূল্যে বীজ পেয়েছেন শাহজাদপুর কৃষি অফিস থেকে। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার প্রচুর ফলন এসেছে।

তিনি আরও বলেন, কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়ায় ভবিষ্যতে সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে সূর্যমুখীর জমির পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব।

উপজেলার আন্ধারমানিক ও বড় ধুনাইল গ্রামের কয়েকজন কৃষক জানিয়েছেন, সূর্যমুখী চাষে খরচ তুলনামূলক কম এবং রোগবালাইও কম হয়।

এছাড়া অল্প সময়েই ফলন পাওয়া যায় এবং বাজারে তেলের চাহিদা থাকায় লাভের সম্ভাবনাও বেশি। তারা মনে করেন, সঠিক বাজার ব্যবস্থা ও সরকারি প্রণোদনা থাকলে আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই ফসলের আবাদ সম্ভব।

শাহজাদপুর উপজেলার কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এলাকার মাটি ও আবহাওয়া সূর্যমুখী চাষের জন্য উপযোগী। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলায় প্রায় ৬ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে, যার ফলে প্রায় ১০ মেট্রিক টন সূর্যমুখী বীজ পাওয়া যাবে।

এছাড়াও সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে ১ কেজি কীটনাশক ও ১ কেজি সূর্যমুখী বীজ ২০ জন কৃষককে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু মাঠে হলুদ ফুল ফুটে মনোরম দৃশ্য সৃষ্টি করেছে, যা স্থানীয়দের দৃষ্টি কেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, সূর্যমুখী ফুলের তেল স্বাস্থ্যসম্মত এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কার্যকর। কৃষকদের সফলতা অর্জনে নিয়মিত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের আশা, সূর্যমুখীর বাণিজ্যিক চাষ সম্প্রসারিত হলে ভোজ্যতেলের ঘাটতি কমবে এবং কৃষকদের আয়ও বৃদ্ধি পাবে। পরিকল্পিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে শাহজাদপুর ভবিষ্যতে সূর্যমুখী উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!