× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

সিরাজগঞ্জে ভুয়া ডাক্তারকে ৩ মাসের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হরিণা পিপুলবাড়ী বাজার এলাকায় কথিত ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে নাজমুল ইসলাম মিঠু নামে এক ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৯ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সাধারণ শাখা, আইসিটি শাখা, তথ্য ও অভিযোগ শাখা) এহসান আহমেদ খান এ দণ্ডাদেশ দেন। এ ছাড়া অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন কার্যালয় ও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, নাজমুল ইসলাম মিঠু দীর্ঘদিন ধরে ‘মিঠু ডাক্তার’ নামে পরিচিত হয়ে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন রোগী দেখতেন এবং জনপ্রতি ফি হিসেবে টাকা নিতেন। এতে প্রতিদিন শুধু রোগী দেখার ফি বাবদ প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করতেন। তার নিজস্ব ফার্মেসি থেকে প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধ কিনতে রোগীদের বাধ্য করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। 

এতে প্রতিজন রোগীর কাছ থেকে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার ওষুধ বিক্রি করা হতো। স্থানীয়দের দাবি, ফার্মেসি থেকেই তিনি মাসে প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা আয় করতেন। দুটি কক্ষে রোগীদের জন্য বিছানা রেখে সেখানে নিয়মিত রোগী দেখতেন তিনি। অনেক রোগী দীর্ঘদিন ধরে তার কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলেও জানান।

রোগী রহিমা বেগম বলেন, ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে বাড়ি বিক্রির টাকায় চিকিৎসা নিচ্ছি। প্রতি সপ্তাহে প্রায় এক থেকে দুই হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়।

আরেক রোগী আলতাফ বলেন, বুকের ব্যথা নিয়ে গেলে তার দেওয়া ফার্মেসি থেকে জ্বর ও মাথাব্যথার ওষুধ দেওয়া হয়েছে। এতে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন যে ওই ব্যক্তি প্রকৃত চিকিৎসক কি না।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে কয়েকজন রোগীর প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করে জানা যায়, নাজমুল ইসলাম মিঠু কোনো স্বীকৃত ডিগ্রিধারী চিকিৎসক নন এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রেসক্রিপশন লেখার কোনো বৈধতা তার নেই।

এ অভিযোগে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০-এর ২২ ধারা অনুযায়ী তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

Link copied!