যমুনা কালিগঙ্গা নদীর ভাঙনকবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ফেলায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের নদী পাড়ের মানুষের মাঝে।
বুধবার (১ জুলাই ) সরেজমিন উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের দপ্তিয়র পশ্চিম খন্ড, বাককাটারী, ছিটকিবাড়ী দক্ষিণ খন্ড ও ছিটকিবাড়ী খেয়াঘাট এলাকায় দেখা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য রবিউল আওয়াল লাভলুর দিকনির্দেশনায়া ভাঙনকবলিত এলাকায় ২৫০ কেজি ওজনের বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শাহিনুর রহমান জানান, দপ্তিয়র ইউনিয়নের দপ্তিয়র পশ্চিম খন্ড এলাকায় ৫১০ মিটার, বাককাটারী ১৪০ মিটার, ছিটকি বাড়ী দক্ষিন খন্ড ৭০ মিটার ও ছিটকি বাড়ী খেয়া ঘাট এলাকায় ১৪০মিটার- এই চারটি পয়েন্টে মোট ৮৬০ মিটার কাজ চলমান। আশা করছি, ২০-২৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী বলেন, আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজের তদারকি করছি। কাজটি সম্পন্ন হলে এলাকার জনগণ অনেক উপকৃত হবে।
স্থানীয় মাঈন উদ্দিন (৬০) জানান, প্রতি বছর এই নদী ভাঙনে আমাদের বাড়িঘর ভেঙে যায়। এবার বাঁধ দেওয়াতে আশা করি ভাঙন থেকে রক্ষা পাব।
দপ্তিয়র ইউপি চেয়ারম্যান এম. ফিরোজ সিদ্দিকি মুঠোফোনে জানান, আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য রবিউল আওয়াল লাভলুকে জিও ব্যাগ ফালানোর জন্য। কালিগঙ্গা নদীর দুপারে ৪-৫ কিলো স্থায়ীভাবে বাঁধ দেওয়া হলে দপ্তিয়র ইউনিয়নের চরাঞ্চলের লোকজন নিরাপদে বাস করতে পারবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরফান উদ্দীন বলেন, জিও ব্যাগ ফেলার কোনো অনিয়মের অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। আমি ট্যাগ অফিসার দিয়েছি এবং নিজেও মনিটরিং করছি।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন