জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সব ধরনের যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায়। রাজধানীর প্রধান সড়কেগুলোতে বাসের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও যানবাহন না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হয়ে গন্তব্যে না গিয়েই ফিরে গেছেন অনেকেই।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা গেছে, রাজধানীর প্রধান সড়কেগুলোতে বাসের জন্য যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন। যে দু-একটি বাস আসছে, তাতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ফলে অনেকেই গন্তব্যে যেতে পারছেন না।
ভুক্তভোগীরা বলেন, মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকায় গণপরিবহনই একমাত্র ভরসা। কিন্তু পর্যাপ্ত বাস না থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও বাসে উঠতে না পেরে অনেকেই সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারছেন না।
পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং চেকপোস্টে নানা ঝামেলার ভয়ে অনেক মালিক গাড়ি রাস্তায় নামাচ্ছেন না। এতে সড়কে বাসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।
এর আগে, ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা হতে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিক আপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সেই সাথে ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।


