শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১০:২০ এএম

সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ পেলে এমপিও বাতিল

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১০:২০ এএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ, যোগদান ও এমপিওভুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় বাধাহীন সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনটিআরসিএর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ ও এমপিওভুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় যদি কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অনেক মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠান প্রধান বা নিয়মিত কমিটি না থাকায় শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে ভারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান, এডহক কমিটি অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কিংবা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নিয়োগ, যোগদান ও এমপিওভুক্তকরণ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি এনটিআরসিএর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করে বা অযথা বিলম্ব ঘটায়, তবে তাদের এমপিও বাতিলের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত)’ এর ধারা ১৮.১ (খ) ও (গ) এর বিধান প্রযোজ্য হবে।

অধিদপ্তর স্পষ্ট করেছে, মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত কোটার নিয়ম মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের পদক্ষেপে শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকেও মুক্তি পাবে প্রার্থীরা।

Link copied!