ঢাকা বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

চার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ প্রো-ভিসি নিয়োগ

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) পদে বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) পদে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস সিদ্দিকী এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ডিন ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) মোহাম্মাদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. কামাল উদ্দিন এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হককে অব্যাহতি দিয়ে নিজ নিজ মূল পদে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন এসব নিয়োগ দেওয়া হলো।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে পরিবর্তন ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, গত কয়েক মাসে দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই উপাচার্যদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগও উত্থাপন করেছে সংস্থাটি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী গ্রহণ করা হচ্ছে।