× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

ফুসফুস ক্যান্সার কেন হয় এবং করনীয়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

ফুসফুস ক্যান্সার কেন হয় এবং করনীয়। ছবি : সংগৃহীত

ফুসফুস ক্যান্সার কেন হয় এবং করনীয়। ছবি : সংগৃহীত

ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ফুসফুস ক্যান্সারের ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসকদের মতে, এই রোগটিকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে এর লক্ষণগুলো সাধারণ কাশি বা ঠান্ডার মতো মনে হতে পারে। তবে সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এই ঝুঁকি অনেকখানি কমিয়ে দিতে পারে।

ফুসফুস ক্যান্সার কী?
ফুসফুস ক্যান্সার হলো ফুসফুসের কোষগুলোর একটি অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। যখন ফুসফুসের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বিভাজিত হতে শুরু করে এবং টিউমার গঠন করে, তখন তাকে ফুসফুস ক্যান্সার বলা হয়। এটি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে, যাকে ‘মেটাস্ট্যাসিস’ বলা হয়।

কেন হয় ফুসফুস ক্যান্সার? (প্রধান কারণসমূহ)
ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য নির্দিষ্ট কিছু কারণকে দায়ী করা হয়:

ধূমপান: ফুসফুস ক্যান্সারের প্রায় ৮০-৯০% কারণ হলো ধূমপান। সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক ফুসফুসের কোষের ডিএনএ নষ্ট করে দেয়।

পরোক্ষ ধূমপান (Second-hand Smoking): আপনি নিজে ধূমপান না করলেও পাশে থাকা ব্যক্তির বিড়ি বা সিগারেটের ধোঁয়া আপনার ফুসফুসের সমান ক্ষতি করতে পারে।

বায়ুদূষণ: বর্তমান সময়ে ঢাকা সহ বিশ্বের বড় শহরগুলোতে বাতাসের বিষাক্ত কণা (PM 2.5) ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

রাসায়নিক ও তেজস্ক্রিয়তা: কর্মক্ষেত্রে অ্যাসবেস্টস, আর্সেনিক বা রেডন গ্যাসের সংস্পর্শে থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

বংশগত কারণ: পরিবারে কারোর ফুসফুস ক্যান্সার থাকলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা বেড়ে যায়।

লক্ষণগুলো কী কী?
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

নাছোড়বান্দা কাশি যা দুই-তিন সপ্তাহেও সারে না।

কাশির সঙ্গে রক্ত আসা।

বুক ধড়ফড় করা বা শ্বাসকষ্ট অনুভব করা।

বুকের খাঁচায় বা কাঁধে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা।

হঠাৎ শরীরের ওজন কমে যাওয়া এবং ক্লান্তি বোধ করা।

ঘনঘন নিউমোনিয়া বা ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হওয়া।

প্রতিরোধের উপায়
চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আনলে এই মরণব্যাধি থেকে দূরে থাকা সম্ভব:

ধূমপান বর্জন: আজই তামাক ও ধূমপান ছাড়ার সংকল্প করুন। এটিই ফুসফুস সুস্থ রাখার প্রধান উপায়।

মাস্ক ব্যবহার: অত্যধিক বায়ুদূষণ বা ধূলিকণার মধ্যে চলাচলের সময় উচ্চমানের মাস্ক ব্যবহার করুন।

স্বাস্থ্যকর খাবার: খাদ্যতালিকায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল ও সবজি রাখুন যা কোষের ক্ষয় রোধ করে।

নিয়মিত চেকআপ: যারা দীর্ঘদিনের ধূমপায়ী, তাদের নিয়মিত বিরতিতে চেস্ট এক্স-রে বা লো-ডোজ সিটি স্ক্যান করানো উচিত।

ফুসফুস ক্যান্সার মানেই শেষ নয়। বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন ইমিউনোথেরাপি এবং টার্গেটেড থেরাপির মাধ্যমে এই রোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ। একটু সচেতনতাই পারে একটি মূল্যবান প্রাণ বাঁচাতে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!