× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

এস আলম ও পিকে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও পিকে হালদার । ছবি : সংগৃহীত

মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও পিকে হালদার । ছবি : সংগৃহীত

৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। এর মাধ্যমে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান হাফিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পিকে হালদার ও সাইফুল আলম ছাড়াও চার্জ গঠন হওয়া অপর আসামিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। আভিভা ফাইন্যান্সের (সাবেক রিলায়েন্স) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না। এ ছাড়া মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ এবং পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন এবং বাকি ১১ জন পলাতক। 

শুনানিকালে কারাগারে থাকা দুই আসামি নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হককে আদালতে উপস্থিত করা হয়। তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। তাদের আইনজীবীরা মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানালে আদালত তা নামঞ্জুর করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। 

নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ মিয়া আলম শুনানিতে বলেন, আমার মক্কেল এই ঋণের যোগসাজশে নেই। তিনি কেবল একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন, পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার নন। চার্জশিটে তাকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে, রাশেদুল হকের আইনজীবী নিয়াজ মোর্শেদ দাবি করেন, তার মক্কেল বেতনের বাইরে কোনো আর্থিক সুবিধা নেননি এবং ঋণ অনুমোদনের একক ক্ষমতা তার ছিল না। 

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট ‘মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন করান। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করা হয়। 

২০২৪ সালের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৬ অক্টোবর ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। গত ১১ জানুয়ারি আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে বিচারের জন্য বিশেষ জজ-৯ আদালতে বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!