× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

হাসিনার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পরবর্তী চার্জ শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত

শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আব্দুস সালাম এই দিন ধার্য করেন।

এদিন কারাগারে থাকা ৩০ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজির আসামিদের মধ্যে সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনসহ পাঁচজন নারী এবং ২৫ জন পুরুষ রয়েছেন। আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে চার্জ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ থেকে আসামিদের অব্যাহতি চান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পরিচালনা করেন। যেহেতু এদিন সব আসামির পক্ষের শুনানি শেষ হয়নি, তাই আদালত পরবর্তী চার্জ শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন।

এর আগে গত বছরের ২৭ মার্চ সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ৩০ জুলাই একই মামলায় ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ১৪ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এবং আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ১১ সেপ্টেম্বর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

Link copied!