× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

গৃহকর্মী নির্যাতন: স্ত্রীসহ বিমানের এমডি কারাগারে

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

গৃহকর্মী নির্যাতন মামলায়স্ত্রীসহ বিমানের এমডিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছবি- সংগৃহীত

গৃহকর্মী নির্যাতন মামলায়স্ত্রীসহ বিমানের এমডিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছবি- সংগৃহীত

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের  মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উত্তরা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোমের মিয়া সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রাজু আহমেদ শুনানি শেষে জামিন নাকচ করে চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন বিমান এমডি সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী বীথি এবং বাসার দুই গৃহকর্মী রূপালী খাতুন ও মোছা সুফিয়া বেগম।

আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দাবি করেন, সাফিকুর রহমান একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি বাসায় নিয়মিত থাকেন না, সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকেন। তিনি এসব ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত নন এবং ঘটনার প্রকৃত বিষয়ও জানেন না। তার স্ত্রীও অসুস্থ ও বয়সজনিত কারণে এসব ঘটনা সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষে পুলিশ এসআই তাহমিনা আক্তার জানান, ১১ বছর বয়সী শিশুটিকে পরিবারের পেটের দায়ে কাজে পাঠানো হয়েছিল। তবে বাসায় পৌঁছানোর পর থেকে শিশুটি নিয়মিত নির্যাতনের শিকার হয়েছে। শিশুটিকে মারধরের পাশাপাশি গরম খুন্তি দিয়ে শরীরে ছেঁকা হতো।

শিশুটির বাবা গোলাম মোস্তফা রোববার মামলা দায়ের করেন। তিনি বলেন, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরে সাফিকুর রহমানের বাসায় নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর বাচ্চা আমার মেয়েকে কাজের জন্য খুঁজে পান। পরে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে মেয়েটিকে সেখানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মেয়েটির বিয়েসহ যাবতীয় খরচ বহনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কারণে আমি ২০২৫ সালের জুনে মেয়েটিকে ওই বাসায় পাঠাই।

মোস্তফা আরও বলেন, পরবর্তীতে মেয়েটিকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। ৩১ জানুয়ারি বীথি ফোন করে জানায়, আমার মেয়ে অসুস্থ। তখন আমি মেয়েকে দেখতে গিয়ে দেখি তার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়েছে। মেয়েটি আমাকে জানিয়েছে, তাকে নিয়মিত মারধর করা হতো এবং গরম খুন্তি দিয়ে শরীরে ছেঁকা হতো। পরে শিশুটিকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি রফিক আহমেদ বলেন, ১১ বছর বয়সী শিশুটি বীভৎসভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Link copied!