× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:২০ এএম

মানবতাবিরোধী অপরাধে সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:২০ এএম

সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক। ছবি : সংগৃহীত

সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক। ছবি : সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আজ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হচ্ছে। জুলাই-আগস্টে কারফিউ জারি করে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমন ও গণহত্যায় উসকানির অভিযোগে এই বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মামলায় অভিযুক্ত সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। আজ সকালে তাদের কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। আসামিদের উপস্থিতিতেই প্রসিকিউশন ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করবে। এরপর মামলার প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের কথা রয়েছে।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল সালমান ও আনিসুলের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই আদেশে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। অভিযোগ গঠনের সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে চলমান ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে নীতিগত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক। আন্দোলন দমনে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে ১৯ জুলাই তারা ফোনে আলোচনা করেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনায় দেশজুড়ে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, অথচ নির্যাতন বন্ধে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৩ জুলাই মিরপুরে হত্যাকাণ্ড, ২৮ জুলাই মিরপুর ১০ এলাকায় মারণাস্ত্র ব্যবহার, ৪ আগস্ট মিরপুর-১-এ ১২ জন নিহত হওয়া এবং ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মিরপুর-২, ১০ ও ১৩ নম্বর এলাকায় ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটনাগুলো তাদের পরিকল্পনা ও নির্দেশনার ফল।

গত বছরের ৪ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এসব অভিযোগ আমলে নেন। একই দিনে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফরমাল চার্জ দাখিল করে। বর্তমানে একাধিক মামলায় কারাবন্দি রয়েছেন একসময়ের প্রভাবশালী এ দুই নেতা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!