× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ০৫:১৯ পিএম

মা-মেয়ে হত্যার দায় স্বীকার সেই গৃহকর্মীর স্বামীর

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ০৫:১৯ পিএম

নিহত মা-মেয়ে। ছবি- সংগৃহীত

নিহত মা-মেয়ে। ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গৃহকর্মী আয়েশার স্বামী রাব্বি শিকদার আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ দিন রিমান্ড শেষে রাব্বি শিকদারকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক সহিদুল ওসমান মাসুম তার জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর সকালে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চরকয়া গ্রাম থেকে গৃহকর্মী আয়েশা ও তার স্বামী রাব্বি শিকদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ১১ ডিসেম্বর আদালত আয়েশার ছয় দিনের এবং রাব্বির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম গত ৮ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ ডিসেম্বর গৃহকর্মী আয়েশা বাদীর বাসায় খণ্ডকালীন কাজ শুরু করেন। ৮ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে বাদী কর্মস্থল উত্তরা থেকে স্ত্রীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাননি। পরে সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে বাসায় ফিরে তিনি স্ত্রী লায়লা ফিরোজকে গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত দেখতে পান।

এ সময় তার মেয়েকে গুরুতর আহত অবস্থায় মেইন গেটের কাছে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. আশিকের সহায়তায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বাসার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বাদী দেখতে পান, গৃহকর্মী আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে মেয়ের একটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে বাদী নিশ্চিত হন যে, সকাল ৭টা ৫১ মিনিট থেকে ৯টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে যেকোনো একসময় অজ্ঞাত কারণে ছুরি বা অন্য কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার স্ত্রী ও মেয়েকে গুরুতর জখম করে হত্যা করা হয়েছে।

Link copied!