× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ০২:১৪ পিএম

হাদিকে স্মরণ করে গভীর রাতে কবরের পাশে অঝোরে কাঁদলেন সাইফুল্লাহ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ০২:১৪ পিএম

হাদিকে স্মরণ করে গভীর রাতে কবরের পাশে অঝোরে কাঁদলেন সাইফুল্লাহছবি- সংগৃহীত

হাদিকে স্মরণ করে গভীর রাতে কবরের পাশে অঝোরে কাঁদলেন সাইফুল্লাহছবি- সংগৃহীত

মৃত্যুর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ ওসমান হাদিকে ঘিরে মানুষের আবেগ থামেনি। প্রতিদিনই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনগত গভীর রাতে ওসমান হাদির কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহকে। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সাংবাদিক শিপন হাবীবের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখেন— ‘রাত ৩টা, শহীদ ওসমান হাদির সমাধিতে কান্না করছেন জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।” ভিডিওতে দোয়ার সময় সাইফুল্লাহর চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরতে দেখা যায়।’

এর আগে বৃহস্পতিবার সারাদিনও হাদির কবরের পাশে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। অনেকেই দেশের দূর-দুরান্ত থেকে এসে তার জন্য দোয়া করেন। কেউ কেউ হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় ক্ষোভও প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত হাদি পরে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ গড়ে তুলে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সরব হন। টেলিভিশন টক শো ও সামাজিক মাধ্যমে তার বক্তব্য ব্যাপক আলোচিত হয়।

মৃত্যুর পর ২০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হয়।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতার নাম উঠে এলেও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এখনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নিশ্চিত করতে পারেননি।

Link copied!