× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম

প্রার্থীর জামানত হারালে কী হয়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম

নির্বাচন কমিশবের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশবের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ৪২টির কোনো প্রার্থীই বিজয়ী হতে পারেননি। যদিও ভোটের লড়াইয়ে একটি বড় অংশের প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনের লড়াইয়ে নামার আগে প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হয়, যা মূলত প্রার্থীর সিরিয়াসনেস বা গুরুত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

জামানত কী?

জামানত হলো নির্বাচনি নিরাপত্তাজনিত নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ, যা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হয়। টাকা জমাদানের প্রমাণ স্বরূপ ট্রেজারি চালান বা কোনো তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা দিতে হয়।

জামানত হারায় কেন?

একটি নির্বাচনি এলাকায় যত ভোট পড়ে তার শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীরা যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে এবারও একটি বড় সংখ্যক প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কিন্তু ঠিক কতজন প্রার্থী, তার সঠিক হিসেব পাওয়া যায়নি। কোন কোন আসনে দেখা গেছে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীই জামানতের টাকা ফেরত পাওয়ার মতো ভোট পাননি।

প্রতিটি নির্বাচনে এই ধরনের ঘটনা ঘটে। ন্যূনতম ভোট না পেয়ে জামানতের টাকা রক্ষা করতে পারেন না প্রার্থীরা।

বর্তমানে সংসদীয় আসনের জন্য প্রার্থীদেরকে ২৫ হাজার টাকা, উপজেলা নির্বাচনে ১০ হাজার টাকা আর পৌরসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যার হিসাবে জামানতের টাকা আগে জমা দিতে হয়।

পৌরসভা নির্বাচনে অনধিক ২৫ হাজার ভোটারের এলাকায় ১৫ হাজার টাকা, ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ভোটারের এলাকায় ২০ হাজার টাকা, ৫০ হাজার থেকে এক লাখ ভোটারের এলাকার জন্য ২৫ হাজার টাকা এবং এক লাখের বেশি ভোটারের এলাকার জন্য ৩০ হাজার টাকা জামানত জমা রাখতে হয় নির্বাচন কমিশনে। কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য জামানত পাঁচ হাজার টাকা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নয় হাজার ৫০০ টাকা আর কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে এক হাজার টাকা জামানত জমা রাখতে হয়।

হারালে কী হয়?

নির্বাচন শেষে কমিশন জামানত বাতিল হওয়া প্রার্থীদের একটা তালিকা করে। সেই তালিকা অনুযায়ী বাতিল হওয়া জামানতের টাকা অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেলের অফিসের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

না হারারে কী হয়?

যেসব প্রার্থীরা জামানত হারাননি, গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন অফিসের মাধ্যমে জামানতের টাকা তারা তুলে নিতে পারেন। কিন্তু জামানত তুলে নেওয়ার মতো অবস্থায় থেকেও আসলে কতজন প্রার্থী তাদের সেই টাকা তুলে নিতে আবেদন করেন তা নিয়েও সংশয় আছে। যদিও এ সংক্রান্ত কোনো হিসাব নির্বাচন কমিশনের কাছে নেই।

মনোনয়নপত্র বাতিল হলে জামানত ফেরত পাওয়া যায়। যদি বাছাইয়ের সময় কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়, তবে তিনি তার জামানতের টাকা ফেরত পাবেন।

জামানত ফেরত পেতে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিস বা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়।

সাধারণত নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়। অন্যথায় ওই অর্থ স্থায়ীভাবে সরকারের অধীনে চলে যেতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!