নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থাবিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশন বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, পরিচয় বা আর্থ-সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার উন্মুক্ত হতে হবে। তারা যেন নির্ভয়ে ও কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই আইনি সুরক্ষা পেতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানে বাংলাদেশি নারীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সক্ষমতা ও প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নারীদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, নারীর অবস্থাবিষয়ক জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশন ৯ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের অধিবেশনে সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, বৈষম্যমূলক আইন বাতিল এবং কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন