× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০১:৩৩ পিএম

বিএনপি সংস্কার চায় না এমন প্রচার ‘মিথ্যা’ : মির্জা ফখরুল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০১:৩৩ পিএম

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি শুধু সংস্কার চায় না, বরং তা বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বিএনপি সম্পর্কে যেকোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য জনগণকে বিভ্রান্ত করছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্ব, আমাদের অস্তিত্ব। কিন্তু কিছু মানুষ এই ইতিহাসকে খাটো করার চেষ্টা করছে।

২৪’র গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন আমাদের আরেকটি গৌরবের ইতিহাস। জুলাই সংগ্রাম ও অভ্যুত্থানকে আমরা দলীয়ভাবে মূল্যায়ন করি।

দলীয় শৃঙ্খলা বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। তাই বিএনপিতে কোনো অনুচিত ব্যক্তির ঠাঁই হবে না।

সভায় তিনি স্থানীয় চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিবাহী স্থান। এখানে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার প্রথম সুসংগঠিত সামরিক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয় এবং যুদ্ধকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে বিভক্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ এবং এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর নির্মাণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!