× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম

ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, লিটারপ্রতি ৫ টাকা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

দেশে জ্বালানি তেলের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

রোববার (৩১ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকায় অপরিবর্তিত থাকবে। কেরোসিনের দাম ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, পেট্রলের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ মূল্য আজ রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় বাজারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে সরকার স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে। এর আওতায় প্রতি মাসে আমদানিকৃত জ্বালানির খরচ বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল, যদিও মে মাসে তা অপরিবর্তিত রাখা হয়। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে আবারও পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম বৃদ্ধি পেল।

উল্লেখ্য, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধি ঘটে ২০২২ সালের আগস্টে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ডিজেলের দাম প্রায় ৪২ শতাংশ বাড়িয়ে ১১৪ টাকা করা হয়। যদিও পরে সমালোচনার মুখে একই মাসে ৫ টাকা কমানো হয়েছিল।

জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অন্যদিকে, ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করা হয় নির্বাহী আদেশে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও; ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয় এবং সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক দেখা দেয়।

তবে পরবর্তীতে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাজার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!