× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৬:২১ এএম

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৬:২১ এএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি হয়নি। তবে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে ছয়টি জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের তুলনায় বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল রয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ করার অধিকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ এবং এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের চর্চা আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিস্থিতির অবনতি না হলেও সরকারকে সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কিছু তৎপরতা বিভিন্ন এলাকায় নজরে এসেছে। কয়েকটি জেলায় তাদের মিছিল ও সমাবেশের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া গেছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি আজ থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সদস্যদের ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় বেসামরিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যাতে যেকোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলামূলক কর্মকাণ্ড দ্রুত মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

তবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তকে পুলিশের প্রতি অনাস্থা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সরকার কখনো বিজিবি, আবার কখনো সেনাবাহিনীর সহায়তা নিয়ে থাকে। প্রায় দেড় বছর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের পর গত ১৫ জুন সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সুযোগ তৈরি হওয়ায় সেনাবাহিনীকে মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান সিদ্ধান্তের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক নেই। যেসব এলাকায় অপতৎপরতার আশঙ্কা বা চেষ্টা শনাক্ত হয়েছে, সেসব স্থানেই সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কিছু গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের এক সংসদ সদস্যের ছেলেকে গ্রেপ্তার করে পরে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। কোনো ব্যক্তির পারিবারিক পরিচয়ের কারণে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ নেই। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে একাধিক অভিযোগ ছিল। সেসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এক হিন্দু নারীর পৃথক প্রদেশের দাবি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে মূলত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ওই নারীর বক্তব্যের প্রসঙ্গও এসেছে। মন্ত্রীর ভাষ্য, এটি সম্ভবত ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে বলা কথা ছিল। বক্তৃতার সময় অতিরিক্ত আবেগ বা উৎসাহে অনেকেই অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করে ফেলেন।

এর আগে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত কয়েকটি সংগঠনের বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

এ প্রেক্ষাপটে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর এলাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ এবং ফরিদপুর জেলায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষার স্বার্থে আজ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!