× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম

ইতালিতে ভাই খুনের নেপথ্যে বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে শোকের মাতম থামছেই না। ইতালির লেইজ শহরে বড় ভাই হুমায়ুন ফকিরের হাতে ছোট ভাই নয়ন ফকির খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। বিদেশের মাটিতে এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বড় ভাইয়ের পরকীয়া, দ্বিতীয় বিয়ে এবং আর্থিক দ্বন্দ্বের এক জটিল সমীকরণ।

বিয়ানের সঙ্গে পরকীয়া ও দ্বিতীয় বিয়ের বিরোধ ঘাতক হুমায়ুন ফকিরের প্রথম স্ত্রী আমেনা আফরিন থাকলেও, তিনি তার বিয়ান (চাচাতো বোন) তায়েবার সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। তিন বছর আগে টেলিফোনে আমেনাকে বিয়ে করলেও হুমায়ুন দুই বছর আগে ছুটিতে দেশে এসে গোপনে তায়েবাকে দ্বিতীয় বারের মতো বিয়ে করেন। এই দ্বিতীয় বিয়েটি হুমায়ুনের মা-বাবা এবং পরিবার মেনে নেয়নি, যা নিয়ে পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিনের কলহ চলছিল।

বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ক্ষোভ হুমায়ুনের দ্বিতীয় স্ত্রী তায়েবাকে বাড়িতে তোলার খবর শুনে হুমায়ুনের বাবা দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। নিজের মা-বাবা ও ছোট ভাই নয়নের উপর এই কারণেই চরম ক্ষুব্ধ ছিলেন হুমায়ুন। প্রথম স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে একটি সমঝোতাও করেছিলেন।

আর্থিক লেনদেন ও ৮ লাখ টাকার দাবি হুমায়ুন নয়নকে ১৩ লাখ টাকা খরচ করে ইতালি নিলেও নয়ন তাকে বিভিন্ন সময়ে ২০ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি হুমায়ুন তার মা-বাবার ভরণপোষণ বাবদ খরচ করা ১৬ লাখ টাকার অর্ধেক অর্থাৎ ৮ লাখ টাকা নয়নের কাছে দাবি করেন। নয়ন সেই টাকা দিতে রাজি হওয়া সত্ত্বেও হুমায়ুন পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে পরিবারের অভিযোগ।

বোন ও স্ত্রীর আকুতি নিহত নয়ন ও ঘাতক হুমায়ুনের একমাত্র বোন দিলারা আক্তার তার বড় ভাইয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি করেছেন। অন্যদিকে, প্রথম স্ত্রী আমেনা আফরিন অভিযোগ করেছেন, হুমায়ুন তাকে নিয়মিত মানসিক নির্যাতন করতেন এবং ভরণপোষণ দিতেন না। অভিযুক্ত হুমায়ুন বর্তমানে ইতালি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, পারিবারিক নৈতিকতার অবক্ষয় এবং পরকীয়া সম্পর্কের জটিলতা কীভাবে একটি সাজানো সংসার ও দুই ভাইয়ের জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে। প্রবাসে থাকা ভাইদের উচিত যেকোনো পারিবারিক সমস্যা আবেগের বশবর্তী না হয়ে আইনি বা সামাজিক উপায়ে সমাধান করা।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইতালি সময় বিকেল ৫টায় নয়ন তার বড় ভাই হুমায়ুনের বাড়ির নিচে বৈদ্যুতিক সাইকেল চার্জ দিতে যান। নয়ন যখন প্লাগ লাগাতে নিচু হন, তখন ওত পেতে থাকা হুমায়ুন পিছন থেকে ছুরি দিয়ে নয়নের পিঠে এবং মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর ভিডিও কলের মাধ্যমে মরদেহ দেশে থাকা মা-বাবাকে দেখান হুমায়ুন।

Link copied!