ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

রমজানে ওমরাহ: হজের সমতূল্য সওয়াব

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:০০ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

রমজান মাসে ওমরাহ করতে পারা আল্লাহর অরবারিত রহমত ও ক্ষমা লাভের একটি মহান সুযোগ, যা হজের সমতূল্য। তাই রমজানে ওমরাহ পালনের ফজিলত অপরিসীম।

রমজানে ওমরাহর ফজিলতের একটি কারণ হলো, এ মাস নিজেই বরকতপূর্ণ সময়। সময়ের মর্যাদা যখন বেশি হয়, তখন সেই সময়ে সম্পাদিত ইবাদতের মূল্যও বেড়ে যায়। যেমন কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম, তেমনি রমজানে করা ইবাদতও বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর ওমরাহ যেহেতু নিজেই একটি বড় ইবাদত, তাই তা রমজানে আদায় করলে তার সওয়াব বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়।

ইবনে ‘আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ হতে ফিরে এসে উম্মে সিনান (রা.) নামের এক আনসারী মহিলাকে বললেন, হজ আদায় করাতে তোমাকে কীসে বাধা দিল? তিনি বললেন, অমুকের আব্বা অর্থাৎ তার স্বামী, কারণ পানি টানার জন্য আমাদের মাত্র দু’টি উট আছে। একটিতে সাওয়ার হয়ে তিনি হজ আদায় করতে গিয়েছেন।

আর অন্যটি আমাদের জমিতে পানি সিঞ্চনের কাজ করছে। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, রমজান মাসে একটি ‘ওমরাহ আদায় করা একটি ফরজ হজ আদায় করার সমান অথবা আমার সঙ্গে একটি হজ আদায় করার সমান। (বুখারি, হাদিস : ১৮৬৩)

এ হাদিসে রমজান মাসে ওমরাহ আদায়ের অসাধারণ মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। আলেমগণ ব্যাখ্যা করেছেন, এখানে সওয়াবের দিক থেকে সমতার কথা বলা হয়েছে, ফরজ হওয়ার দিক থেকে নয়।

অর্থাৎ রমজানের ওমরাহ ফরজ হজের দায়িত্ব আদায় করে দেয় না; তবে সওয়াবের দিক থেকে এর মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ।