ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

জুমার দিনে ঈদ হলে কী করবেন?

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

জুমার দিনে ঈদ পড়লে সেটা অত্যন্ত বরকতময় দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। সাধারণত যখন ঈদ শুক্রবারের দিন অর্থাৎ জুমাবার পড়ে তখন ইসলামের বিধান অনুযায়ী কিছু বিশেষ নিয়ম ও শিথিলতা রয়েছে। 

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি উৎসব হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা—আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও ইবাদতের এক বিশেষ মুহূর্ত। আল্লাহর জিকির ও তাঁর বড়ত্বের ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় ঈদ। এ দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর একটি হলো ঈদের নামাজ। এটি সাধারণত খোলা মাঠে তথা ঈদগাহে পড়া হয়। তবে এরূপ স্থানের অভাবে বা আপৎকালে মাসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা যায়।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, জুমার দিন ঈদ হলে জুমা পড়তে হবে কি না। ঈদের নামাজ পড়লে জুমা পড়তে হবে না— এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ঈদের নামাজ ও জুমার নামাজ দুটি পৃথক পৃথক আমল। অন্যদিকে ঈদের নামাজ ওয়াজিব আর জুমার নামাজ ফরজ। সুতরাং একটি আদায় করে আরেকটি বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জুমার দিন বা শুক্রবার ঈদ হলে ঈদ ও জুমা উভয়টিই পড়তে হবে।

হাদিসের সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে, জুমার দিন ঈদ হলে মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় নামাজই পড়তেন। সহিহ হাদিস দ্বারা এটিই প্রমাণিত। এ ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে জুমার নামাজ না পড়ার কোনো প্রমাণ নেই। (বোখারি : ৫৫৭২, মুসলিম : ৮৭৮, মুসনাদুশ শাফেয়ী : ৫০০, শরহু মুশকিলিল আছার : ৩/১৮৭, আততামহীদ : ১৪/২৭৪)

কিছু হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, দূর-দূরান্ত থেকে যারা ঈদের নামাজ পড়তে আসেন তাদের জন্য জুমার নামাজে উপস্থিত না হওয়ার অনুমতি ছিল। তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই জুহরের নামাজ পড়ে নিতে হবে। কেননা জুহর বা জুমার নামাজ যেকোনো একটি পড়া আবশ্যক।