× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৭:১৭ এএম

বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস, ক্লোসাকে পেছনে ফেলে সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৭:১৭ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে আরেকটি অনন্য রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সোমবার ডালাস স্টেডিয়ামে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে বসেন তিনি। শুরুতে পেনাল্টি মিস করার পাশাপাশি আরও কয়েকটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করলেও বিরতির আগে করা এক দুর্দান্ত গোলেই নতুন ইতিহাসের জন্ম দেন আর্জেন্টাইন তারকা।

এর আগে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করা ফুটবলার হিসেবে রেকর্ড গড়েন, পেছনে ফেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। তবে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে তার প্রয়োজন ছিল আর মাত্র একটি গোল। জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করে ছিলেন তিনি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। তৃতীয় মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজ প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকতেই শ্লাগার ও পশের চ্যালেঞ্জে মাটিতে পড়ে যান। প্রথমে রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে বললেও পরে ভিএআরের সাহায্যে ঘটনাটি পুনরায় পর্যালোচনা করেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে তিনি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন।

অষ্টম মিনিটে স্পট কিক নিতে এগিয়ে যান মেসি। গোল করতে পারলেই তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যেতেন। কিন্তু সেদিন প্রথম সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি। তার শট পোস্টের ডান পাশ ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। গোলরক্ষক সঠিক দিকে ঝাঁপালেও তাকে কোনো সেভ করতে হয়নি।

এরপর ২১ মিনিটে আরেকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেন মেসি। কাট-ইন করে বক্সে প্রবেশ করলেও শেষ মুহূর্তে আলাবার স্পর্শে বলের গতিপথ বদলে যায় এবং বিপদমুক্ত হয় অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ। ফলে হতাশা বাড়তে থাকে আর্জেন্টিনা শিবিরে।

৩৩ মিনিটেও গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন মেসি। ফের্নান্দেসের উদ্দেশে বাড়ানো একটি বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে শ্লাগার সেটি ভুল করে মেসির কাছেই পৌঁছে দেন। ফাঁকা গোলপোস্ট লক্ষ্য করে তাৎক্ষণিক শট নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে নিশ্চিত গোল হতে দেননি আলাবা। নিখুঁত অবস্থানে দাঁড়িয়ে তিনি বল প্রতিহত করেন।

অবশেষে ৩৮ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। আক্রমণের সূচনা নিজেই করে বাম দিক দিয়ে এগিয়ে যান মেসি। পরে পেনাল্টি বক্সের কিনারা থেকে নেওয়া তার নিখুঁত শট নিচের বাঁ কোণ দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৭-তে উন্নীত করেন তিনি এবং মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে এককভাবে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নেন। একই সঙ্গে দলকেও এনে দেন গুরুত্বপূর্ণ লিড।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এই গোলটি মেসির জন্য আরেকটি বিশেষ কীর্তিও বয়ে আনে। আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার নজির স্থাপন করেন। এর আগে ১৯৫৮ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপে যথাক্রমে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন এবং ব্রাজিলের জর্জিনহো এক আসরে এমন কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন। কাতার বিশ্বকাপে শুরু হওয়া মেসির গোলের ধারাবাহিকতা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!