ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

মিলারের ব্যাটে সানরাইজার্সকে হারাল পার্ল রয়্যালস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
ডেভিড মিলার। ছবি : সংগৃহীত

ডেভিড মিলারের দুর্দান্ত ব্যাটিং ও শেষদিকে পার্ল রয়্যালসের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে পার্ল রয়্যালস। ১৫০ রানের লক্ষ্য দুই বল হাতে রেখেই ছুঁয়ে ফেলে রয়্যালস।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে সানরাইজার্স শেষ চার ওভারে মাত্র ২২ রান যোগ করতে পারে এবং ওই সময়েই হারায় শেষ ছয় উইকেট। ফলে এই পুঁজি প্রতিযোগিতামূলক হলেও লক্ষ্যটি শেষ পর্যন্ত রয়্যালসের নাগালে ছিল।

এদিন ডেট ওভারে পার্ল রয়্যালসের বোলাররা দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখান। চার ওভার বাকি থাকতে সানরাইজার্সের সংগ্রহ ছিল চার উইকেটে ১২৭ রান। কিন্তু ওটনেইল বার্টম্যান, এনকোবানি মোকোয়েনা ও মুজিব উর রহমান মিলে শেষ ২৪ বলে দেন মাত্র ২২ রান এবং তুলে নেন বাকি ছয় উইকেট।

এনকোবানি মোকোয়েনা ছিলেন সবচেয়ে সফল। ক্যারিয়ারের অষ্টম টি-টোয়েন্টিতে তিনি ৩৪ রানে নেন ৪ উইকেট। বার্টম্যান শেষ চার ওভারের মধ্যে দুটি ওভার করে দেন মাত্র একটি বাউন্ডারি, তার শিকার ৩৬ রানে ৩ উইকেট । মুজিব নেন ১ উইকেট।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে পার্ল রয়্যালস। মাত্র ৩৫ রানেই হারায় চার উইকেট। তখন ম্যাচ পুরোপুরি সানরাইজার্সের নিয়ন্ত্রণে।

সেই চাপের মুহূর্তে দায়িত্ব নেন ডেভিড মিলার। কিগান লায়ন-ক্যাশেটকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ ১১৪ রানের জুটি। মিলার খেলেন অপরাজিত ৭১ রানের ইনিংস, মাত্র ৩৮ বলে। অন্যদিকে লায়ন-ক্যাশেট করেন ৪৫ রান।

ম্যাচ যখন সমতায়, তখন শেষ ওভারে লুইস গ্রেগরির একটি লেগ সাইড ওয়াইড বলেই জয় নিশ্চিত হয় পার্ল রয়্যালসের।

গেকেবারহা মাঠের উইকেটে ব্যাটিং সহজ ছিল না। বেশির ভাগ ব্যাটারই টাইমিং করতে হিমশিম খেয়েছেন। তবে মিলার ছিলেন ব্যতিক্রম। প্রথম বল থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। থারিন্দু রত্নায়েকের স্পিনে একাই তোলেন ২৯ রান। ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও চারটি চার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পার্ল রয়্যালস: ১৫০/৫

ডেভিড মিলার ৭১*, কিগান লায়ন-ক্যাশেট ৪৫

এনরিখ নরকিয়া ২/২১, মার্কো জানসেন ২/২৫

সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপ: ১৪৯

জর্ডান হারম্যান ৪৭

এনকোবানি মোকোয়েনা ৪/৩৪, ওটনেইল বার্টম্যান ৩/৩৬

ফল: পার্ল রয়্যালস ৫ উইকেটে জয়ী