চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার হতাশাজনক বিদায়ের পর দুই দেশের ক্রিকেটেই এখন পরিবর্তনের সুর বাজছে। টুর্নামেন্টের সুপার এইট পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া এই দুই এশিয়ান জায়ান্টের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক তারকারা।
সুপার এইটের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হওয়ার আগেই পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্ন অনেকটাই ফিকে হয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে সালমান আলী আঘার পারফরম্যান্স নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন সাবেক নারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার উরুজ মমতাজ।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর এক আলোচনায় তিনি বলেন, আঘার অধিনায়কত্বে পাকিস্তান ৪টি জয় পেলেও ভারতের বিপক্ষে পরাজয় এবং চাপের মুখে তার কৌশলগত ভুলগুলো ছিল চোখে পড়ার মতো।
পরিসংখ্যান বলছে, আঘা ৬ ইনিংসে ১৩০.৪৩ স্ট্রাইক রেটে মাত্র ৬০ রান করেছেন, যার বড় অংশই এসেছে নামিবিয়ার বিপক্ষে।
উরুজ মমতাজ আরও যোগ করেন, বর্তমানে পাকিস্তানের ২০ জন খেলোয়াড়ের তালিকায় এমন কাউকেই দেখছি না যাকে নির্দ্বিধায় ‘অধিনায়ক’ বলা যায়। শাদাব খান, শাহীন আফ্রিদি কিংবা বাবর আজম—সবাই এই চক্রের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন।
আপাতত বিকল্প না থাকায় হয়তো আঘাকেই টেনে নিতে হবে, যদি না পাকিস্তান সাহিবজাদা ফারহান বা সাইম আইয়ুবের মতো তরুণদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করে।
অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটেও বইছে অস্থিরতার হাওয়া। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চারিথ আসালাঙ্কার জায়গায় পুনরায় দাসুন শানাকাকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। হারের পর সমর্থকদের সমালোচনাকে ‘নেতিবাচকতা’ হিসেবে অভিহিত করে শানাকা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
সাবেক লঙ্কান অলরাউন্ডার ফারভিজ মাহরুফ বলেন, শানাকা যখন চাপমুক্ত থাকেন, তখন পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩১ বলে ৭৬ রানের মতো বিধ্বংসী ইনিংস খেলতে পারেন। সনৎ জয়সূর্য পরবর্তী যুগে নতুন থিংক-ট্যাংক আসা উচিত এবং ২০২৮ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এখনই তরুণ কাউকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন।



