চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান সংগ্রহ করেছে আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন লরকান টাকার। বাংলাদেশি বোলিংয়ে একাদশে ফিরেই স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ বনাম আয়ারল্যান্ড ম্যাচ শুরু হয়। আয়ারল্যান্ডের ওপেনাররা পাওয়ার প্লেতে দুর্দান্ত শুরু করেন। পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টর মাত্র ৬ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তুলেন। এই স্কোর বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ফরম্যাটে তৃতীয় সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে রেকর্ড গড়ে। তবে এরপর দ্রুত তিন উইকেট হারায় তারা, যা রান গড়ার ছন্দে ধাক্কা দেয়।
মধ্যবর্তী সময়ে লরকান টাকার জজ ডকরেলের সঙ্গে পঞ্চম উইকেট জুটি গড়ে দলের ইনিংসকে প্রতিরোধমূলক রূপ দেয়। টাকার ৪১ রানের ইনিংসের মাধ্যমে আয়ারল্যান্ড শেষ পর্যন্ত একটি চ্যালেঞ্জিং ১৭০ রানের সংগ্রহ গড়ে।
ইনিংস চলাকালীন খেলা কিছু সময়ের জন্য থেমে যায়, যখন স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট বন্ধ হয়ে যায়। প্রথমে দুটি ফ্লাডলাইট বন্ধ হলেও পরে চারটি ফ্লাডলাইটও বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে খেলা প্রায় ১০ মিনিটের জন্য বন্ধ থাকে।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন। পাওয়ার প্লের বিপর্যয় কাটিয়ে দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নাসুম আহমেদও শুরুতে কিছু রান খরচ করলেও পরে দলের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হন।

