ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, তাঁর দেশ ভেনেজুয়েলা ‘চালাবে’। শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এই কাজ করবে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। যুদ্ধবিরোধী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড-ব্যনার নিয়ে নেমেছে সাধারণ মানুষ। কারও কারও হাতে ভেনেজুয়েলার পতাকাও দেখা গেছে।
ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, বোস্টন, মিনেপোলিসসহ বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ হচ্ছে।
এদিকে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন।

নতুন বছরের প্রথম দিন নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নেন জোহরান। নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, জোহরান মামদানি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেন্সকে আটক করার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটা যুদ্ধের মতো একটা কাজ। একই সঙ্গে দেশের ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
এ ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলায় হামলা চালানোকে অবৈধ ও অপরিণামদর্শী কাজ বলে উল্লেখ করেছে নিউইয়র্ক টাইমসের এডিটোরিয়াল বোর্ড। শনিবার নিউইয়র্ক টাইমসের অনলাইন সংস্করণে পত্রিকাটির এই মত তুলে ধরা হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এডিটোরিয়াল বোর্ড মনে করে, ভেনেজুয়েলায় এই হামলার ফলে দেশটির জনগণের কষ্ট বাড়বে, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বাড়বে এবং বিশ্বজুড়ে মার্কিন স্বার্থের স্থায়ী ক্ষতি হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন