× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

কেন ট্রাম্পের শান্তি আলোচনা থেকে দূরে সরে গেল কাতার?

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। ছবি : সংগৃহীত

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘শান্তি আলোচনা’ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম বিভ্রান্তি ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। 

একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করছেন, ইরানের সাথে যুদ্ধ বন্ধে ‘জোরালো আলোচনা’ চলছে, অন্যদিকে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এই প্রক্রিয়া থেকে নজিরবিহীনভাবে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে এক জরুরি ব্রিফিংয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কাতার এই ধরনের কোনো মধ্যস্থতায় জড়িত নেই। 

ঐতিহাসিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো সংকটে—সেটি ইসরায়েল-হামাস সংঘাত হোক বা মার্কিন-তালেবান চুক্তি—কাতার সবসময়ই কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে এসেছে। কিন্তু এবার দৃশ্যপট ভিন্ন। 

জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে ওমান ও কাতারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ থামানোর একাধিক প্রচেষ্টা চালানো হলেও যুক্তরাষ্ট্র তাতে সাড়া দেয়নি। উল্টো আলোচনার মাঝপথেই ইরানের ওপর মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটায় মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো এখন নিজেদের ‘ব্যবহৃত’ মনে করছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এবং সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা বিলাল সাবের জানান, তারা অতীতে আঙুল পুড়িয়েছে। যখনই আলোচনার কথা বলা হয়েছে, দেখা গেছে সেটি আসলে বড় কোনো সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি বা ছক ছিল। ফলে ট্রাম্পের শান্তির কথা এখন তাদের কাছে কেবলই একটি ‘ধোঁয়াশা’ মনে হচ্ছে।

এদিকে, এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়ছে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের ওপর। প্রতিদিন ইরানের মিসাইল ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে দেশগুলোকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হচ্ছে। 

হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকায় এই অঞ্চলের তেল ও গ্যাস রপ্তানিও গভীর হুমকির মুখে। এই অবস্থায় ট্রাম্পের কোনো একপাক্ষিক চুক্তি বা নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি—উভয়ই তাদের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করতে পারে।

সবশেষ তথ্যানুযায়ী আরও জানা যায়, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ১৫ দফার শান্তি পরিকল্পনাকে তেহরান ‘চরম অযৌক্তিক’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের দাবি, আলোচনার নামে যুক্তরাষ্ট্র আসলে তাদের নেতাদের অবস্থান শনাক্ত করে গুপ্তহত্যার পথ খুঁজছে। 

সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!