ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও শান্তি আলোচনা পাকিস্তানে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই ঘোষণা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
হোয়াইট হাউস এই বৈঠক নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেও তেহরান জানিয়েছে, তারা এখনো বিষয়টি ইতিবাচকভাবে পর্যালোচনা করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চান যা বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম কমিয়ে আনবে এবং পুঁজিবাজারের অস্থিরতা সামাল দেবে।
গতকাল সোমবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তারা আলোচনায় আসবে এবং আশা করি একটি ন্যায্য চুক্তি হবে, কিন্তু তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।
অন্যদিকে ইরান চাইছে তাদের ওপর আরোপিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে। তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণকে দরকষাকষির প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
তবে আলোচনার আবহ তৈরি হলেও গত সপ্তাহান্তে ‘তুসকা’ নামক একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজ মার্কিন বাহিনী কর্তৃক আটকের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ওয়াশিংটনের দাবি, জাহাজটিতে সামরিক সরঞ্জাম ছিল।
এদিকে, আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে।
পাকিস্তান এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। রাজধানী ইসলামাবাদে প্রায় ২০ হাজার অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
গুঞ্জন রয়েছে, চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি অথবা ভার্চুয়ালি এই বৈঠকে যোগ দিতে পারেন। ইতিমধ্যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফরের কথা রয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স


