যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র অবজারভার। তবে সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, স্টারমার বর্তমানে সরকারের দায়িত্ব ও কার্যক্রম পরিচালনাতেই মনোযোগী রয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অবজারভার উল্লেখ করে, প্রধানমন্ত্রী সোমবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়ে তার দায়িত্ব ছাড়ার সম্ভাব্য সময়সূচিও তুলে ধরতে পারেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। শুক্রবার পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে, যখন তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি আসনে জয়লাভ করেন। এই সাফল্যের ফলে তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্বের প্রশ্নে স্টারমারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারেন।
সংবাদমাধ্যমটি আরও দাবি করেছে, পদত্যাগের সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে স্টারমার তার স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এদিকে লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা সোমবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানতে আগ্রহী।
তবে শুক্রবার স্টারমার নিজেই বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো চ্যালেঞ্জ এলে তিনি তা মোকাবিলা করবেন। একই সঙ্গে তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান, অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়িয়ে ঐক্য বজায় রাখার জন্য।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্টারমারের নেতৃত্বে লেবার পার্টি বড় ধরনের বিজয় অর্জন করেছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার দুই বছরের মধ্যেই তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। অনেক ভোটারের ধারণা, জীবনমান উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে সরকার প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে পারেনি।


