রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ১১:০৩ এএম

বিদেশে থাকা নাগরিকেরা ফিরতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে: মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ১১:০৩ এএম

জান্তা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং। ছবি- সংগৃহীত

জান্তা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং। ছবি- সংগৃহীত

মিয়ানমারে জান্তা শাসনামলে দেশটির যেসব নাগরিক যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যত্র চলে গেছেন, তাঁরা চাইলে আবার ফিরে আসতে পারেন, বলেছেন জান্তা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমারের অভিবাসীদের অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা (টেম্পোরারি প্রটেক্টেড স্ট্যাটাস বা টিপিএস) সুবিধা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত সোমবারের এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এমন কথা বলেন জান্তাপ্রধান।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) মিয়ানমারে সফররত বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্দ্রার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে হ্লাইং বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মিয়ানমারের যে প্রায় ৪ হাজার নাগরিকের সাময়িক সুরক্ষামূলক আশ্রয় বাতিল করেছে, আমরা তাঁদের গ্রহণ করার ব্যবস্থা করছি। তাঁদের নাম যদি ভোটার তালিকায় থাকে, তবে আমরা তাঁদের ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করব।’

হ্লাইং আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে হোক বা অন্য কোনো কারণে বিদেশে চলে যাওয়া মিয়ানমারের সব নাগরিককে সরকার স্বাগত জানাবে, যেন তারা দেশে ফিরে শান্তিপূর্ণভাবে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে।

ইংরেজি ও বার্মিজ ভাষার গণমাধ্যম ইরাবতী লিখেছে, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ওয়াশিংটনের অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা (টিপিএস) বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে তাদের পরিকল্পিত নির্বাচনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে।

গত সোমবার এক ঘোষণায় মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রে চালু থাকা অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা (টিপিএস) বন্ধ করছে।

ঘোষণায় আরও বলা হয়েছে, মার্কিন সরকারের মূল্যায়ন অনুযায়ী টিপিএসের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মিয়ানমারের নাগরিকেরা এখন ‘নিরাপদে দেশে ফিরে যেতে’ পারবেন, কারণ তাদের বিবেচনায় দেশটির শাসনব্যবস্থা ও স্থিতিশীলতার উন্নতি হয়েছে এবং জান্তা ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

মিয়ানমারের জান্তা সরকার দ্রুত বিবৃতিটি সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের দেশে ফিরে এসে নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করে ‘দেশ গড়ার কাজে অংশ নেওয়ার’ আহ্বান জানায়।

ডিসেম্বরের শেষ দিকে মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!