× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১০:০৪ এএম

পুতিন নন, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি হচ্ছে না জেলেনস্কির কারণে : ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১০:০৪ এএম

ট্রাম্প ও জেলেনস্কি। ছবি : সংগৃহীত

ট্রাম্প ও জেলেনস্কি। ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া নয়, বরং ইউক্রেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । তার এই মন্তব্য ইউরোপীয় মিত্রদের অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত, যারা ক্রমাগত যুক্তি দিয়ে আসছে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মস্কোর আগ্রহ খুবই সামান্য।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে তার প্রায় চার বছরব্যাপী এই আক্রমণ সমাপ্ত করতে প্রস্তুত। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, জেলেনস্কি এ ক্ষেত্রে কিছুটা অনিচ্ছুক বা দ্বিধান্বিত। রুশ প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, তিনি চুক্তি করতে প্রস্তুত। আমার মনে হয়, ইউক্রেন চুক্তি করার জন্য কম প্রস্তুত।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের এই বৃহত্তম ভূখণ্ডগত সংঘাত কেন মার্কিন নেতৃত্বাধীন আলোচনার মাধ্যমে এখনো সমাধান করা সম্ভব হয়নি—এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প শুধু বলেন, ‘জেলেনস্কি।’

ট্রাম্পের এই মন্তব্য ইউক্রেনীয় নেতার প্রতি তার নতুন করে তৈরি হওয়া বিরক্তির ইঙ্গিত। এই দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে এক অস্থির সম্পর্ক বজায় রয়েছে, যদিও ট্রাম্পের পুনরায় ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম বছরে তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি লক্ষ করা গিয়েছিল।

মাঝেমধ্যে ট্রাম্প মার্কিন মিত্রদেশগুলোর নেতাদের তুলনায় পুতিনের দেওয়া আশ্বাসগুলোকে সরাসরি গ্রহণ করতে বেশি আগ্রহী বলে মনে হয়েছে, যা কিয়েভ, ইউরোপীয় রাজধানীগুলো এবং রিপাবলিকান নেতাসহ মার্কিন আইনপ্রণেতাদের হতাশ করেছে। গত ডিসেম্বরে রয়টার্স প্রকাশ করেছিল, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ক্রমাগত সতর্ক করে আসছে, পুতিন সমগ্র ইউক্রেন দখল এবং সাবেক সোভিয়েত সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ইউরোপের অংশগুলো পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য ত্যাগ করেননি। তবে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের ডিরেক্টর তুলসি গ্যাবার্ড সে সময় ওই প্রতিবেদনটি নিয়ে বিতর্ক তুলেছিলেন।

কয়েক দফা উত্থান-পতনের পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যাতে কোনো সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির পর রাশিয়া পুনরায় আক্রমণ করতে না পারে। মোটাদাগে মার্কিন মধ্যস্থতাকারীরা রাশিয়ার সঙ্গে কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেনকে তাদের পূর্ব দনবাস অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক এই আলোচনাগুলোতে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন, যেখানে মার্কিন পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। তবে কিয়েভ, ওয়াশিংটন এবং ইউরোপীয় নেতাদের সম্প্রতি তৈরি করা কিছু শর্তে পুতিন একমত হবেন কি না, তা নিয়ে কিছু ইউরোপীয় কর্মকর্তা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

উইটকফ এবং কুশনারের মস্কো সফর নিয়ে ব্লুমবার্গ যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প রয়টার্সকে বলেন, এমন কোনো সম্ভাব্য সফর সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

আগামী সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করবেন কি না জিজ্ঞেস করা হলে ট্রাম্প বলেন, তিনি দেখা করবেন; তবে কোনো পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে ইঙ্গিত দেন। ট্রাম্প বলেন, ‘যদি তিনি সেখানে থাকেন তবে আমি করব। আমি সেখানে থাকছি।’

জেলেনস্কি কেন আলোচনার পথে বাধা দিচ্ছেন বলে তিনি মনে করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু না বলে শুধু বলেন, ‘আমার মনে হয় তিনি, মানে আপনারা জানেনই, সেখানে পৌঁছাতে (সিদ্ধান্ত নিতে) তার কষ্ট হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, জেলেনস্কি প্রকাশ্যে মস্কোকে যেকোনো ধরনের ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী কিয়েভের কোনো জমি ছেড়ে দেওয়ার অধিকার নেই।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!