আগামী ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল। কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তথ্য ও চাঁদ দেখার সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং চাঁদ দেখার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক সংস্থাগুলোর তথ্য পর্যালোচনা করার পর ঈদের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছে। এসব সংস্থা অস্ট্রেলিয়া ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নতুন চাঁদ (হিলাল) পর্যবেক্ষণ নিয়ে কাজ করে।
ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে। ফলে পরদিন শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
কাউন্সিল আরও জানায়, সূর্যাস্তের আগে সুনির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার ভিত্তিতে চাঁদের জন্ম হওয়া, সূর্যাস্তের পর তা দৃশ্যমান থাকার সময় এবং অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে ঈদের দিন নির্ধারণ করা হয়।
এই পদ্ধতি অনুসরণ করে রমজানের শুরু ও শেষ, শাওয়াল মাসের সূচনা এবং ঈদুল ফিতরের দিন নির্ধারণ করে অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি ও অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল। বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক ও ফিকহভিত্তিক পরিষদ এবং ইসলামি সংস্থাও একই ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করে থাকে।
এদিকে বাংলাদেশে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর।
বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা এক মাস সিয়াম সাধনার পর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। চলতি বছর পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছিল গত ১৯ ফেব্রুয়ারি। ইসলামি চান্দ্র মাস সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিনের হয় এবং এর শুরু ও শেষ নির্ধারিত হয় চাঁদ দেখার ওপর।
সূত্র: খালিজ টাইমস

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন