× UCB Sticker Card
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

মমতাকে সরিয়ে তৃণমূলের নতুন কমিটি, সভাপতি অরূপ রায়

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একের পর এক বড় পরিবর্তনের আভাস মিলছে। বিজেপির কাছে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর এবার ক্ষমতা হারানো তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে বিদ্রোহের সুর। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতারা কলকাতার নভোটেলে একটি মেগা বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে দলের মধ্যে নতুন একটি সাংগঠনিক কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে ওই কমিটিতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রাখা হয়নি।

নতুন কমিটির সভাপতি করা হয়েছে অরূপ রায়কে। ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিম। একইসঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বলে দাবি করেছে।

নভোটেলের এই বৈঠকে তৃণমূলের একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে অরূপ রায় বলেন, ‘দলের মধ্যে একচ্ছত্র আধিপত্য এবং স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানাতে বাধ্য হয়েছি। বর্তমানে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু ঋতব্রতপন্থী সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল গোষ্ঠীকেই প্রাধান্য দিয়েছেন এবং ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে দলকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সংগঠন পরিচালনা করা হবে।’

বৈঠকে উপস্থিত নেতারা অভিযোগ করেন, গত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে একটি নির্দিষ্ট পরিবারের একচ্ছত্র প্রভাব রয়েছে। তাদের দাবি, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত, প্রার্থী নির্বাচন এবং দলীয় পদ বণ্টনের ক্ষেত্রেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।

এই অসন্তোষ থেকেই দলের ভেতরে বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহী নেতাদের।

ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাসের মতো প্রবীণ নেতাদের এই বিদ্রোহে যুক্ত হওয়াকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিদ্রোহ তৃণমূলের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এতদিন যে অসন্তোষ চাপা ছিল, তা এখন প্রকাশ্যে এসেছে।

বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিজেদের ‘রিয়েল তৃণমূল’ বা ‘রিতো-তৃণমূল’ নামে পরিচিত করার চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, দলের মূল আদর্শ ফিরিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Link copied!