× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৭:৩৭ এএম

হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৭:৩৭ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পারস্য উপসাগরে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করেছে, যা হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

সোমবার (৪ মে) পরিস্থিতির নতুন উত্তেজনা শুরু হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বিদেশি ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। তিনি এ উদ্যোগের নাম দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এর পরপরই প্রণালি ও আশপাশের এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়।

ইরান এই উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হস্তক্ষেপ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। তেহরান আরও বলেছে, তাদের অনুমতি ছাড়া এ প্রণালিতে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।

বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সংকীর্ণ জলপথটি ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা শুরুর পর থেকে কার্যত অচল হয়ে আছে। চলমান সংঘাতে অঞ্চলজুড়ে হাজারো মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

সোমবার দিনশেষে উপসাগরে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তারা ইরানের ছয়টি ছোট সামরিক নৌকা ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি তেল বন্দরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সাতটি দ্রুতগামী নৌকায় হামলা চালিয়েছে।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয়ই এ প্রণালিতে জাহাজে হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, ইরানের এক হামলার পর ফুজাইরাহ তেল বন্দরে আগুন লাগে।

গত মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় সামরিক উদ্যোগ। তবে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!