× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০১:২৯ এএম

ধ্বংসস্তূপের নিচে পাওয়া গেল আর্জেন্টাইন ফুটবলারের স্ত্রী-সন্তানকে

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০১:২৯ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ভেনিজুয়েলায় ভয়ংকর জোড়া ভূমিকম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হারিয়েছেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লুকাস ত্রেহো। ১৯৮৭ সালে আর্জেন্টিনার কর্ডোবায় জন্ম নেওয়া লুকাস ত্রেহো পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে আর্জেন্টিনা, স্পেন, গ্রিসের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন। তবে গত ১০ বছর ধরে তিনি ভেনিজুয়েলার বিভিন্ন ক্লাবে ফুটবল খেলছেন। বর্তমানে তিনি ভেনিজুয়েলার দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব মারিতিমো দে লা গুয়াইরাতে খেলছেন। সে সুবাদে পরিবার ভেনিজুয়েলায় অবস্থান করছিল।

দুর্ঘটনার পর থেকে ট্রেহোর স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেল্লা এবং ছেলে আরন ত্রেহো ও মেয়ে আইনহোয়া ত্রেহোর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ৭৪ ঘণ্টার দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে শনিবার রাতে প্লায়া গ্র্যান্ডের ধসে পড়া অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লুকাসের স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আর রয়টার্সের সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে জীবিতদের উদ্ধারে দেশি-বিদেশি উদ্ধারকারী দল জোরালো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

সরকার জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০-এর বেশি বিদেশি উদ্ধারকর্মী ভেনেজুয়েলায়া পৌঁছেছেন এবং আরও দল আসছে। বুধবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর শত শত আফটারশকের কারণে উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা ও রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন এলাকায় স্বজন, স্বেচ্ছাসেবক ও উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, ভারী যন্ত্রপাতি ও সরকারি সহায়তার ঘাটতি রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কারাবায়েদা এলাকায় মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে বিভিন্ন হাসপাতাল ও উদ্ধারকেন্দ্রে ছুটে বেড়াচ্ছে।

ভূমিকম্পের পর আফটারশকের আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘরের বাইরে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন। অনেক বাড়িঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাসিন্দারা সেখানে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না।

কর্তৃপক্ষ জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে লা গুয়াইরায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত করেছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হচ্ছে।

সরকার শত শত মানুষ নিখোঁজ বা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার কথা বললেও, বিরোধী পক্ষের পরিচালিত একটি ওয়েবসাইটে ৫৫ হাজারের বেশি মানুষকে এখনো নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!