লাতিন আমেরিকার দেশ কিউবাকে ‘চুক্তির আওতায় আসার’ তাগিদ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় দেশটিকে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। পাশাপাশি চুক্তিবদ্ধ না হলে দেশটিতে ভেনেজুয়েলার তেল ও টাকা সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিরিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্টের নজর এখন কিউবার দিকে। ভেনেজুয়েলার দীর্ঘদিনের মিত্র কিউবাকে দিনে ৩৫ হাজার ব্যারেলস তেল সরবরাহ করে কারাকাস। এখন এ তেল সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, কিউবার জন্য আর কোনো তেল বা অর্থ যাবে না— শূন্য! আমি জোরালোভাবে পরামর্শ দিচ্ছি, তারা যেন অবিলম্বে একটি চুক্তি করে।
রোববার সকালে ট্রাম্প একটি বার্তা পুনঃপ্রচার করেন। এতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এখন কমিউনিস্ট-শাসিত কিউবার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন। ট্রাম্প সেই পোস্টে বলেন, ‘এটা আমার কাছে ভালোই শোনাচ্ছে!’
এর কিছুক্ষণ পর নিজের পোস্টে ট্রাম্প বলেন, কিউবা বহু বছর ধরে ভেনেজুয়েলা থেকে বিপুল পরিমাণ তেল ও অর্থ পেয়েছে। এর বিনিময়ে কিউবা ভেনেজুয়েলার বিগত দুজন একনায়কের ‘নিরাপত্তা সেবা’ দিয়েছে, কিন্তু আর নয়! ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর অভিযানের সময় ৩২ কিউবান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হন।
প্রসঙ্গত, মার্কিন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার আওতায় হাভানা ২০০০ সাল থেকে ক্রমশ ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে, যা মাদুরোর পূর্বসূরি হুগো শাভেজের সঙ্গে করা এক চুক্তির অংশ হিসেবে সরবরাহ করা হতো।

